রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে হাবিপ্রবিকে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে হাবিপ্রবিকে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক